in

মাত্র ১২ সপ্তাহে ওজন কমানোর ১২টি কার্যকরী টিপস!

গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্বাস্থ্য টিপস।

#1 সকালের নাশতা বাদ দিবেন না

সকালের নাশতা না খাওয়া আপনার ওজনকে কখনই কমাবেনা। নাশতা না করার ফলে আপনি অপরিহার্য পুষ্টিগুলি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন এবং অধিক ক্ষুধার কারনে দিনের বাকি অংশগুলোতে আপনি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খেয়ে ফেলতে পারেন।

#2 নিয়মিত খাবার খান

দিনে নিয়মিত সময়ে খাওয়া, দ্রুত হারে ক্যালোরি ক্ষয় করতে সাহায্য করে। এই অভ্যাসটির ফলে চর্বি ও চিনি জাতীয় খাবারের প্রতি আপনার আকর্ষণও অনেকটা কমে আসবে।

#3 প্রচুর পরিমাণে ফল ও সবজি খান

ফল এবং সবজিতে উচ্চ মাত্রায় আশ থাকে এবং খুব কম মাত্রায় ক্যালরি ও চর্বি থাকে – এই ৩টি জিনিসই হচ্ছে ওজন কমানোর জন্য প্রধান উপাদান। ফল এবং সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থও বিদ্যমান।

#4 নিজেকে আরও বেশি সক্রিয় করে তুলুন

নিজেকে যত বেশি সক্রিয় করে তুলতে পারবেন, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আপনি তত বেশি সফলতা অর্জন করতে পারবেন এবং ওজন কমার পর সেটি পুনরায় বৃদ্ধিও পাবেনা। নানাবিধ স্বাস্থ্যকর উপকারের পাশাপাশি, ব্যায়াম আপনার শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি ক্ষয় করতেও সাহায্য করে, যা আপনি শুধু ডায়েটের মাধ্যমে হয়ত করতে পারবেন না।

#5 প্রচুর পরিমাণে পানি পানের অভ্যাস গড়ে তুলুন

মানুষ মাঝে মাঝে পিপাসাকে ক্ষুধার সাথে গুলিয়ে ফেলে। যখন আপনি আপনার চাহিদা অনুযায়ী এক গ্লাস পানি পান করবেন তখন আপনি খুব সহজেই অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারবেন।

#6 উচ্চমাত্রার আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন

যেসব খাদ্যে অধিক পরিমাণে আঁশ রয়েছে সেসব খাবারগুলো আপনাকে সর্বদা ভরপেট অনুভব করাবে এবং যার ফলে আপনি ওজন কমানোর চেষ্টায় আরও এক ধাপ সফল হবেন। ফল, সবজি, গম, লাল চাল, পাস্তা, মটরশুঁটি, ইত্যাদি জাতীয় খাবারে আপনি অধিক পরিমাণে আঁশ পেয়ে থাকবেন।

#7 খাবারের প্যাকেটের দিকে নজর দিতে শিখুন

যেকোন প্যাকেটজাত খাবার কেনার আগে তার প্যাকেটে লেখা উপাদান সমূহ এবং ক্যালরির পরিমাণ কতটুকু সেটা ঠিকঠাক মত পড়ে তারপর সেটি ক্রয় করুন। ওজন কমানের জন্য আপনি যে খাদ্য পরিকল্পনা করেছেন সেই অনুসারে প্রতিদিন আপনার কি পরিমাণ ক্যালরি দরকার, সেই অনুসারে খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

#8 খাওয়ার সময় ছোট প্লেট ব্যাবহার করুন।

ছোট প্লেট ব্যাবহারের অভ্যাস আপনাকে কম পরিমাণ খেতে সাহায্য করবে। ছোট প্লেট এবং বাটি ব্যাবহার করতে করতে এক পর্যায়ে আপনি অল্প পরিমাণ খেতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন এবং আপনি ক্ষুধার্থ বোধও করবেন না। আমাদের পাকস্থলি প্রায় ২০ মিনিট সময় নেয় মস্তিষ্ককে এটা বুঝাতে যে, পেট ভরে গেছে। সুতরাং, খাবার সময় ধীরে ধীরে খান এবং পেট সম্পূর্ণ ভরার আগেই খাবার শেষ করে ফেলুন।

#9 কোন খাবারের প্রতিই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন না

আপনার খাদ্য তালিকা থেকে কোন খাদ্যদ্রব্যকেই একেবারে বাতিল করে দিবেন না। বিশেষ করে যেসব খাবারগুলো আপনার পছন্দের। খাবারের প্রতি নিষেধাজ্ঞা যদি আরোপ করেন তাহলে সেটির প্রতি আপনার আকর্ষণ আরও তীব্র হয়ে উঠবে এবং এক পর্যায়ে হুট করে সেই খাবারটি হয়ত আপনি অধিক পরিমাণে খেয়ে বসবেন। এমনটা হতে দেওয়া যাবেনা। তাহলে ব্যাপারটি যেই লাউ সেই কদুর মত হয়ে যাবে।

#10 প্রয়োজনের বেশি বারতি জাঙ্ক ফুড বাড়িতে রাখবেন না

প্রলোভিত হওয়া থেকে বাঁচার জন্য বাড়িতে অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড যেমন – চকলেট, বিস্কুট, চিপস, মিষ্টি কোমল পানীয় জাতীয় খাবার ইত্যাদি জমিয়ে বা কিনে রাখবেন না। এগুলোর পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্য কিনে রাখুন যেমন – ফল, গমের কেক, লবণ বিহীন বা মিষ্টি বিহীন পপকর্ন এবং ফলের জুস, ইত্যাদি।

#11 এলকোহল ত্যাগ করুন

এক গ্লাস ওয়াইন প্রায় একটি চকলেটের সমান ক্যালরি ধারণ করে। সুতরাং, অলস সময়ে বসে বসে এলকোহল গ্রহণ করার অভ্যাস আপনার ওজনকে দিনে দিনে অনেক বারিয়ে তুলতে বেশ বড় ভূমিকা পালন করে।

#12 আপনার খাদ্যের একটি তালিকা তৈরি করুন

পুরো সপ্তাহের জন্য আপনার সকালের নাশতা, দুপুরের এবং রাতের খাবারের একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন, তবে অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে, তালিকাটি যেন আপনার প্রয়োজনীয় ক্যালরির হিসাব অনুসারে হয়। এটি আপনাকে সাপ্তাহিক বাজারের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সাহায্য করবে।

This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!

What do you think?

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ৫টি বাড়ি। (Open list) (5 submissions)

যদি সুস্থ থাকতে চান মানুন এই ৫ নিয়ম।