in

কলা সম্পর্কে এমন কয়েকটি বাস্তবিক তথ্য

কলা সম্পর্কে এমন কয়েকটি বাস্তবিক তথ্য যা আপনাকে এই ফলটির প্রতি আরও আকৃষ্ট করে তুলবে।

কলা আমাদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি ফল যা আমরা সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার বা রাতেও খেয়ে থাকি। কলা এমন একটি বহুমুখী গুন ও স্বাদ সম্বলিত ফল যে এটি অতি অধিক পরিমাণে, তরকারি থেকে শুরু করে আইসক্রিম পর্যন্ত বিভিন্ন রকম খাবারে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।কিন্তু এই বহুগুনী এবং অনন্য স্বাদের এই ফলটি সম্পর্কে আপনি কতটুকুই বা জানেন? চলুন, কলা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক অজানা ও বিস্ময়কর কিছু তথ্য।

১। কলা নিজের পরিচিতি পায় যখন এটি ১৮৭৬ সালে ফিলাডেলফিয়া বিশ্ব মেলায় ১০ সেন্টের বিনিময়ে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে বিক্রি করা হয়।

২। কলার খোসার ভেতরের অংশটি যদি টানা ২ সপ্তাহ (প্রতিদিন) কোন আচিলের উপর দিয়ে রাখা যায় তাহলে সেটি পুরোপুরিভাবে দূর করা সম্ভব।

৩। আমেরিকার একটি গবেষণা মতে, স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকাংশেই কমাতে সাহায্য করে এই কলা। কারন এতে আছে অধিক পরিমাণে পটাসিয়াম।

৪। গায়ক Alicia Keys, Adele, Katy Perry, এরা সবাই গান পরিবেষণের অনুষ্ঠানে নিজেদের খাদ্য তালিকায় বাধ্যতামূলকভাবে কলা রাখতে বলে থাকেন।

৫। মনসিউর মেঙ্গেটুট নামের একজন ফরাসী লোক তার গোটা জীবনে মোট ৯ টনের মত লোহা খেয়েছেন কিন্তু তিনি জীবনে একটি কলাও খেতে পারেননি। তার ভাষ্য মতে, কলা তাকে দুর্বল / অসুস্থ করে দিত।

৬। শুধুমাত্র আমেরিকাতেই, প্রতিদিন জনপ্রতি ৩৩.৫৭ গ্রাম কলা খাওয়া হয়। তবে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ কলা খাওয়া হয় উগান্ডা তে। প্রতিদিন জনপ্রতি ৬০৫ গ্রাম করে।

৭। কলার খোসার ভেতর যে পরিমাণ তেল থাকে তা কোন পোকামাকড়ের কামড়ের দরুন সৃষ্ট জ্বলনকে কমাতে সাহায্য করে।

৮। কলা উৎপাদনের জন্য যথাযথ উপযুক্ত মাটিতে অবশ্যই কমপক্ষে ৫.৫ – ৬.৫ পরিমাণ পি.এইচ. থাকতে হবে এবং মাটি কোনভাবেই লবণাক্ত বা ঠাণ্ডা হওয়া যাবেনা। কলা উৎপাদনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এর গাছের শেকড়ের পচন। এটি হয়ে থাকে মূলত মাটি অতি মাত্রায় ঠাণ্ডা থাকার কারনে এবং আরও কিছু কারণও জরিত থাকতে পারে এর সাথে।

৯। সবুজ কলায় প্রচুর পরিমাণে শ্বেতসার রয়েছে। ফলটি যখন হলুদ হয়ে যায় তখন এই শ্বেতসার চিনিতে পরিণত হয়।

১০। ২০১০ সালে, আশ্রিতা ফারমান নামের একজন আমেরিকান ব্যক্তি “১ মিনিটে সর্বাধিক কলা ভঙ্গনকারী” খেতাব অর্জন করেন। তিনি তার দুই হাত দিয়ে ৬০ সেকেন্ডে ৯৯ টি হলুদ কলা ভেঙ্গেছিলেন।

১২। ২০১২ সালে, ইলিয়ন্সের একজন ব্যাক্তি ৬০ সেকেন্ডে খোসা ছিলে পুরো ৮ টি কলা খেয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন।

১৩। একটি কলায় প্রায় ৭৫% পানি থাকে।

১৪। কলা উৎপাদিত হয় মূলত অযৌন প্রক্রিয়ায় কারন এটি একটি নির্বীজনশীল প্রজাতি।

১৫। কলার ল্যাটিন নাম – “মুসা সেপিয়েন্টাম” যার অনুবাদক অর্থ হচ্ছে “বিজ্ঞ ব্যাক্তিদের ফল”।

১৬। কলার খোসার ভেতরের অংশ দ্বারা জুতা বা হাত ব্যাগের মত চামড়া জাতীয় দ্রব্য চকচকে বা পরিষ্কার করা সম্ভব। কলার খোসার ভেতরের অংশটি জুতা বা ব্যাগের উপর ঘষুন এবং নেকড়া দিয়ে সেটি তুলে ফেলুন।

১৭। ২০১৪ সালে, কলার খোসা কেন এত পিচ্ছিল সেই কারন খুঁজে বের করার জন্য একটি দল পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিল।

This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!

What do you think?

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

স্ত্রীর উপার্জিত অর্থে স্বামীর কোনো অধিকার নেই

PS4 Top Games from Begining till end 2019