in

দুই বাংলার জনপ্রিয় ১০ কার্টুনিস্ট।

 নানা জিনিসের অভাব অনটন থাকলেও বাঙালির জীবনে ঠাট্টা-মস্করার কমতি হয় নি কখনো। অতি দুঃখের মাঝেও বাঙালি নাকি কৌতুক খুঁজে পায়। প্রচলিতধারার কমিক বা কার্টুন আমাদের দেশে ব্রিটিশদের হাত ধরে এলেও লোকগান, ছড়া বা পুতুল নির্মাণে সমাজের অসঙ্গতি হাসি-ঠাট্টার মাধ্যমে তুলে ধরার রীতি এ অঞ্চলে আদিকাল থেকেই চলছে। বাংলা ভাষায় যখন থেকে গদ্য লেখা শুরু হয় তখন থেকেই ব্যঙ্গ-কৌতুক সাহিত্যে জনপ্রিয় হয়। বর্তমানে আমরা কার্টুনের যে ধারাটা দেখতে পাই সেটা অবশ্য হুট করে হয়ে যায় নি। সময় বদলে যাওয়ার সাথে সাথে কার্টুনের ধরন-ধারণও বদলে গেছে। কার্টুন এখন আর শুধুমাত্র বিনোদন কিংবা শুধুমাত্র সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরার হাতিয়ার নয়, বরং এ দুটোরই মিশেল দেখা যায় আজকালকার কার্টুনগুলোতে। যাদের হাত ধরে বাংলা কার্টুনের নবযুগ দেখতে পাচ্ছি আমরা তাদের নিয়েই এই আয়োজন-

#1 কাজী আবুল কাশেম।

কার্টুনিস্ট কাজী আবুল কাশেমকে প্রথম বাঙালি মুসলিম কার্টুনিস্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। তার প্রথম কার্টুনটি ১৯৩০ সালে ছাপা হয়েছিল। তখন তার বয়স মাত্র ১৮ বছর। সওগাতের পৌষ সংখ্যায় (বাংলা ১৩৩৭) সম্পাদক নাসিরউদ্দীন এটি ছেপেছিলেন। এরপর ‘আজাদ’, ‘মোহাম্মদী’ ছাড়াও দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকায় তার একরঙা ও বহুরঙা কার্টুন প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ‘দোপেঁয়াজা’ ছদ্মনামে সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্টুন করে খ্যাতিমান হয়েছেন। সেগুলো কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘হানাফি’ পত্রিকায় ছাপা হতো। ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ‘হরফ খেদাও’ কার্টুনটি এঁকে দোপেঁয়াজা স্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৯৫৩ সালে এটি ‘সৈনিক’-এ ছাপা হয়েছিল।

#2 রনবী।

প্রকৃত নাম রফিকুন নবী হলেও রনবী নামেই তাকে চেনে সবাই।  খ্যাতনামা এই চিত্রকর-কার্টুনিস্ট অনবদ্য সৃষ্টি হলো টোকাই নামক কার্টুন চরিত্রটি। ১৯৭৮ সালে টোকাই কার্টুন প্রথম স্ট্রিপ হিসেবে সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। শিল্পকলায় অনন্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত হন।

রফিকুন নবী ১৯৪৩ সালের ২৮ নভেম্বর রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা রশীদুন নবী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। মা আনোয়ারা বেগম ছিলেন জমিদার পরিবারের সন্তান। তার স্ত্রীর নাম নাজমা বেগম। পুলিশ অফিসার বাবার বদলির চাকুরির সুবাদে রফিকুন নবীর শৈশব ও কৈশোরকাল কাটে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝিতে ঢাকায় স্থায়ী হন তারা। পুরান ঢাকাতেই কৈশোর ও যৌবনের অনেকটা সময় কাটে রফিকুন নবীর।

পড়াশোনা শেষ করে রফিকুন নবী সে সময়ে ঢাকার প্রথম সারির পত্রিকাগুলোতে নিয়মিত কাজ শুরু করেন। নিয়মিত কার্টুন আঁকতেন সাপ্তাহিক পূর্বদেশ পত্রিকায় কবি আবদুল গনি হাজারির কলাম কাল পেঁচার ডায়েরীতে। ৬৯ এ স্বৈরশাসক আইয়ূব খানকে ব্যঙ্গ করে প্রখ্যাত চিত্রকর কামরূল হাসানের সঙ্গে মিলে প্রচুর কার্টুন এঁকেছিলেন তিনি। কার্টুনগুলো সেসময় দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো। স্বাধীনতা সংগ্রামে দিয়েছিলো ভিন্নমাত্রা।

#3 নারায়ণ দেবনাথ।

নারায়ণ দেবনাথ বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কমিকস শিল্পী ও শিশু সাহিত্যিক। হাঁদা ভোঁদা, বাঁটুল দি গ্রেট, নন্টে ফন্টে, বাহাদুর বেড়াল, ডানপিটে খাঁদু আর তার কেমিক্যাল দাদু, কৌশিক রায় তার সৃষ্ট বিখ্যাত সব কার্টুন চরিত্র। পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার লেখা ও আঁকা কমিকস ছোট-বড় বাঙালিকে মাতিয়ে রেখেছে। কমিক-স্ট্রিপ ছাড়াও তিনি শিশু-কিশোরদের উপন্যাস অলঙ্করণ করেছেন তিনি।

নারায়ন দেবনাথের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ভারতের হাওড়াতে। পারিবারিক আদি বাসস্থান বাংলাদেশের বিক্রমপুর অঞ্চলে হলেও তার জন্মের আগেই পরিবার হাওড়ার শিবপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। অল্প বয়স থেকেই শিল্পের প্রতি তার ঝোঁক ছিল। পারিবারিক পেশা স্বর্ণকার হওয়ায় অলঙ্কার প্রভৃতির নকশা করার সুযোগ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি আর্ট কলেজে পাঁচ বছরের ডিগ্রীর জন্য লেখাপড়া শুর করলেও শেষ পর্যন্ত তা চালিয়ে যাননি। শেষ বর্ষে এসে পড়া ছেড়ে দিয়ে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থার জন্য কাজ করেন। এরপর ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েন কার্টুনের জগতে।

#4 মুর্তজা বশীর।

জনপ্রিয় চিত্রশিল্পী ও কার্টুনিস্ট মুর্তজা বশীর ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মীও বটে। ছাত্র ফেডারেশনের সদস্য হিসেবে তিনি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত হয়েছিলেন। এজন্য ১৯৫০ সালে ৫ মাস তাকে কারাভোগ করতে হয়েছিল। ৫২ এর ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমতলার মিটিং এ যোগ দিয়েছিলেন। ভাষা আন্দোলনের জন্য বহু কার্টুন এবং ফেস্টুন এঁকেছেন তিনি। তার কার্টুনগুলো দেশ ও ভাষার জন্য লড়াই এবং ত্যাগের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

১৯৩২ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় এক মুসলিম পরিবারে মুর্তজা বশীরের জন্ম। তার বাবা উপমহাদেশের প্রখ্যাত ভাষাবিদ জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ এবং মা মরগুবা খাতুন।

#5 আহসান হাবীব।

বাংলাদেশে কার্টুন শিল্পের একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাকে মনে করা হয়, তিনি হলেন আহসান হাবীব। জনপ্রিয় এই কার্টুনিস্ট, রম্য সাহিত্যিক এবং কমিক লেখককে ‘বাংলাদেশি কার্টুনের পিতা’, ‘গ্র্যান্ডফাদার অব জোকস’সহ নানা উপাধিতে ভূষিত করা হয়। পল্টু-বিল্টু, পটলা-ক্যাবলা তার সৃষ্ট কিছু বিখ্যাত কমিক্স চরিত্র। তিনি জনপ্রিয় মাসিক রম্য পত্রিকা উন্মাদের বর্তমান প্রধান সম্পাদক। জনপ্রিয় সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এবং মুহম্মদ জাফর ইকবালের সর্বকনিষ্ঠ ভ্রাতা তিনি।

আহসান হাবীব ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই নভেম্বর সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা ফয়েজ। তার পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন পিরোজপুর মহকুমার এসডিপিও (উপ-বিভাগীয় পুলিশ অফিসার) হিসেবে কর্তব্যরত অবস্থায় শহিদ হন। পিতার চাকরির কারণে আহসান হাবীব ছোটোবেলায় আটটি ভিন্ন স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন। তার ছেলেবেলার বেশিরভাগ সময়ই কাটে বগুড়া, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, পিরোজপুর, দিনাজপুর, মোহনগঞ্জসহ আরও কিছু জায়গায়। তার ডাক নাম শাহীন। নাম ঠিক করার সময় বিজ্ঞানী কুদরাত-এ-খুদার নাম অনুসারে আহসান হাবীবের ভালো নাম রাখা হয়েছিল কুদরতে খোদা। পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে রাখা হলো মাসুদ আহমেদ এবং সবশেষে ইবনে ফয়েজ মুহম্মদ আহসান হাবীব। বর্তমানে তিনি শুধু 'আহসান হাবীব' নাম ব্যবহার করেন।

আহসান হাবীব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে পাস করেন। পাস করার পর থেকে তিন দশক ধরে তিনি উন্মাদের সাথে জড়িত আছেন। শিক্ষার্থী থেকে কর্মজীবনে পা দেয়ার পর উন্মাদের অন্য কর্মীদের মতো আহসান হাবীবও ব্যাংকে যোগ দেন। তবে বেশিদিন মন টিকেনি ব্যাংকের চাকরিতে। পরবর্তীতে তিনিই প্রথমে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, এবং পরে পুরোদস্তর সম্পাদকের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। তাছাড়া তিনি বর্তমানে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব কমিক আর্ট’ কার্টুন পত্রিকার বাংলাদেশী এডিটরের দায়িত্বও পালন করছেন। এছাড়া আহসান হাবীব ও হাসান খুরশিদ রুমি ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ম্যাগাজিন পত্রিকা মৌলিক প্রকাশ করেন। তবে ম্যাগজিনটি তিন বছরের মাথায় বন্ধ হয়ে যায়।

#6 শেখ তোফাজ্জল হোসেন তোফা।

পুরো নাম শেখ তোফাজ্জেল হোসেন হলেও তোফা নামে তিনি সর্বাধিক পরিচিত। একাধারে লেখক ও কার্টুনিস্ট এই শিল্পী ১৯৬৮ সালে কার্টুন আঁকার কারণে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছিলেন। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি সাংবাদিকতায়ও অনেক অবদান রেখেছেন। মাসিক সবুজ পাতা পত্রিকায় সম্পাদক ১২ বছর ও মাসিক অগ্রপথিক এ ৬ বছর সম্পাদক ছিলেন। নিজের সম্পাদনায় অমনিবাস, অনুশিলন ও উত্তরকাল, নামে কতিপয় সাহিত্য সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। কবি জসিম উদ্দিনের সাহিত্য সাধনা সংঘে তিনি জড়িত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। স্বাধীনচেতা এই মানুষটি এ পর্যন্ত ৩ হাজারের বেশি কার্টুন ও পকেট কার্টুন এঁকেছেন।

#7 চন্ডী লাহিড।

বাঙালি কার্টুনিস্টদের মধ্যে আরেকজন প্রবাদপুরুষ হলেন চন্ডী লাহিড়ী। ১৯৩১ সালে নদীয়ার নবদ্বীপে তার জন্ম। দীর্ঘ পাঁচ দশক বাংলা কার্টুন চর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৫২ সালে তার কর্মজীবন শুরু হয় দৈনিক লোকসেবক পত্রিকায় সাংবাদিকতার কাজে। এরপর ১৯৬১ সালে হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় কার্টুনচর্চা শুরু করেন। আনন্দবাজার পত্রিকায় ১৯৬২ সালে যোগ দিয়েছিলেন। এছাড়াও সর্বভারতীয় নানা পত্রিকায় কার্টুন এঁকেছেন। তার কর্মজীবন প্রায় ৫০ বছরের। 

তার অসংখ্য ব্যঙ্গচিত্র ভারতের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের জন্যও কার্টুন এঁকেছেন তিনি। চন্ডী লাহিড়ীর সৃষ্ট পকেট কার্টুন 'তির্যক' ও ছোটদের জন্য সৃষ্ট কমিকসগুলো ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। রাজনৈতিক ও সামাজিক দুই ধরনের কার্টুনই আঁকতেন চন্ডী লাহিড়ী। 

তিনি কার্টুন নিয়ে বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। যার মধ্যে রয়েছে কার্টুনের ইতিবৃত্ত, বাঙালির বঙ্গ ব্যঙ্গচর্চা, গগনেন্দ্রনাথের কার্টুন ও স্কেচ অন্যতম। তার কার্টুন সংগ্রহের নাম চন্ডী লুকস অ্যারাউন্ড এবং ভিসিট ইন্ডিয়া উইথ চন্ডী। ২০১৮ সালে এই প্রথিতযশা এই কার্টুনিস্টের মৃত্যু হয়।

#8 শিশির ভট্টাচার্য্য।

শিশির ভট্টাচার্য্য একাধারে কার্টুনিস্ট, চিত্রশিল্পী এবং শিক্ষাবিদ। ১৯৮০ সাল থেকেই তার শিল্পকর্মে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমালোচনা বিদ্রুপাত্মক শৈলীতে প্রকাশ পেয়ে আসছে। বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকাগুলোতে তার রাজনৈতিক কার্টুনগুলো নিয়মিত প্রকাশিত হয়। তিনি দেশের রাজনৈতিক বিষয়কে কার্টুনের বলিষ্ঠ অথচ সহজ রেখা আর বিদ্রুপের ভঙ্গিতে সাবলীলভাবে জনগণের কাছে উপস্থাপন করেন।

শিশির ভট্টাচার্য্য আশির দশকে ছাত্রাবস্থায় কার্টুন আঁকতে শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে সামরিক সরকারের সময়কালে প্রতিবাদী কার্টুন করেন। নব্বইয়ের দশকে সংবাদপত্রে কার্টুনিস্ট হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। তার আঁকা রাজনৈতিক কার্টুনগুলো প্রথম আলোসহ বাংলাদেশের জনপ্রিয় সব সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

#9 শাহরিয়ার খান।

বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় বাংলা কার্টুন স্ট্রিপ বেসিক আলীর স্রষ্টা হলেন শাহরিয়ার খান। প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত এই কার্টুন চরিত্রটি শাহরিয়ার খানকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কার্টুনটি পত্রিকার পাতায় প্রকাশ হয়ে আসছে। তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়ায় এটি ভলিউম আকারেও প্রকাশ করা হয়েছে। এটা নিয়ে এনিমেটেড কার্টুনও করা হয়েছে। এমনকি বেসিক আলী নিয়ে এখন চলচ্চিত্র তৈরির কাজ চলছে।

#10 মেহেদী হক কার্টুনিস্ট।

বর্তমান সময়ের একজন জনপ্রিয় তরুণ কার্টুনিস্ট মেহেদী হক। কার্টুন বিষয়ক বেশ কয়েকটি বইও লিখেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে কার্টুন আঁকিবার ক,খ,গ এবং ক্ষ, ও আঁকিবুকির কলাকৌশল।

This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!

What do you think?

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

Notice: Trying to get property 'ID' of non-object in /home/bangladeshonline/public_html/wp-content/themes/bimber/includes/post.php on line 1009

Notice: Trying to get property 'ID' of non-object in /home/bangladeshonline/public_html/wp-content/themes/bimber/includes/plugins/media-ace.php on line 128

ধর্ষক মজনু।

১ টাকার সিঙ্গারা ও ২ টাকার বেগুনী।