in

গরুর মাংসের বিষয়ে কিছু কথা। বিষয়টি জানলে উপকার আপনার ই।

কম বেশি আমাদের সকলের ই গরুর গোশত সবারই প্রিয়। অন্যান্য ভোগযোগ্য হালাল পশুর তুলনায় চেয়ে গরুর চাহিদাই বেশি। প্রথম ত এটি সহজলভ্য অপর দিকে কেজি প্রতি দাম ৫৫০ থেকে ৫৭০ টাকা । গরুর গোশত তাদের কাছে মজাদার ও প্রিয় যারা দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত।

কিন্তু এ শ্রেণির মানুষের সংখ্যা খুব একটা বেশি নয়।

দিন দিন প্রতি ঘরে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডায়বেটিস, হৃদরোগ, হাই-পেসারসহ সব দুরারোগ্য ব্যাধিতে ডাক্তাররা বিশেষত গরুর গোশত খাওয়া বাড়ন করেন ডাক্তাররা। গরুর গোশতে কি এমন রয়েছে যে এটির থেকে সবচেয়ে বেশি বিরত থাকতে হবে।

এখন দেখা যাক, আমাদের ইসলাম কী বলে ? এ বিষয়ে ইসলামের সমাধান কী ? এত বড় ক্ষতিকর জিনিসই যদি হয় তাহলে ইসলামে কী এর কোনো ব্যাখ্যা নেই। অবশ্যই আছে। আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশত বছর পূর্বে মানবতার নবী, উম্মতের প্রতি দয়াল নবী মুহাম্মাদ মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গরুর গোশতের ব্যাপারে উম্মতকে সর্তক করে গেছেন।

কিন্তু আমরা শরীয়তের অন্যান্য বিষয়ের মত এ বিষয়টিও আমরা অবহেলা করেছি। যার দ্রুন মারাত্মক ব্যাধি আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। গরুর গোশত খাওয়া হালাল। কিন্তু যেহেতু খেলে ক্ষতি হয় এজন্য এর থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

হযরত হাকেম এবং আবু নাঈম (র.) বর্ণনা করেন, নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, “তোমরা অবশ্যই গরুর দুধ পান করো। কেননা তাতে শিফা ( আরোগ্য) রয়েছে অনুরুপভাবে এর ঘি ভক্ষণ করো। কেননা তা শিফা দানকারী (আরোগ্য দানকারী)। তবে এর গোশত থেকে বিরত থাকো। কেননা তাতে রোগব্যাধি রয়েছে।” (সূত্র : হাশিয়া মুসনাদে ইমাম আযম)

নবীজির এ নির্দেশনা আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগে বলে গেছেন। যার সত্যতা আজ দিবালোকের ন্যয় স্পষ্ট হয়ে গেছে। তার এই নির্দেশনা নিয়ে গবেষণা করেছেন আধুনিক যুগের গবেষকরা। মেডিক্যাল গবেষকরা স্বীকার করেছেন গরুর গোশতে এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এ ব্যাকটেরিয়া টি.বি. (যক্ষা) রোগ এবং হৃৎপি-ের মারাত্মক রোগ হয়ে থাকে।

স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞগন এ বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান চালিয়ে এ তথ্য আবিষ্কার করেছেন যে, গরুর গোশত যেমন হৃৎপি-ের ফোঁড়ার কারণ হয়ে থাকে অনুরুপভাবে এর ফলে মস্তিষ্কের এক প্রকার মারাত্মক রোগ দেখা দেয়। যাকে মেডিক্যাল বিজ্ঞানে মেড-কাউ ডিজিজ বলা হয়।

ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টিফেন ডোরাল এক বক্তব্যে এ কথার সত্যায়ন করেছেন যে, গরুর গোশত ভক্ষণ ও ব্যবহারে এমন এক প্রকার রোগ অস্তিত্ব লাভ করে, যার নাম সি.জি.ডি। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি দেওয়ানা ও মাতাল হয়ে যায়। স্মরণশক্তি হারিয়ে ফেলে । এমনকি কোন কোন রোগী আত্মহননের পথ বেছে নেয়।ইংল্যান্ড, ইন্ডিয়া,কানাডা,তাইওয়ান এবং আফ্রিকার গরুতে এ রোগ অধিক হারে দেখা যায়।

এ কথাটি সর্বস্বীকৃতি লাভ করেছে যে, গরুর গোশত ভক্ষণে হৃদরোগ অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পায়। এমনকি হৃৎপি-ের ধুপ ধুপানী স্থবির হয়ে পড়ে। সুইডেনে টি.বি রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এর একমাত্র কারণ অধিক মাত্রায় গরুর গোশত ভক্ষণ। অতঃপর যখন গরুর চিকিৎকসা হলো তখন বিস্ময়কর পন্থায় এতে পরিবর্তন সাধিত হলো এবং নতুনদের আক্রান্ত হওয়া বন্ধ হয়ে গেল।

অস্ট্রেলিয়াতে গরুর ফার্মগুলিতে রীতিমত মাসিক চেক আপের প্রচলন রয়েছে এবং সেখানে দৈনিক চিকিৎসা দেয়া হয়। তারা এ বিষয়ের প্রতি জোর দিচ্ছে যে, যদি গরু সুস্থ থাকে তাহলে মানুষও সুস্থ থাকবে। 

This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!

What do you think?

Written by Azaher Ali Rajib

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

বিয়ের কার্ড ও কিছু কথা।

নির্বাচনের প্রচারণায় এক প্রার্থীর নাচ।