in

অতিরিক্ত ঘুম, বিপদকে বন্ধু হিসেবে বেছে নিচ্ছেন আপনি।

নিত্যদিনের কাজ করার শক্তি বা ক্লান্তি কাটাতে ঘুম অতি প্রয়োজনীয় একটি ব্যাপার মানব জিবনে। আমাদের সবার জন্যই সমান দরকারি। প্রতিরাতে একটি শান্তির ঘুম আপনাকে দিবে পরেরদিন মনটা করে দেবে ফুরফুরে। ঘুম নিয়মিত হলে আপনি যেকোনো কাজে অধিক মনোযোগী হতে পারবেন।

বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন মানুষকে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কোনো কারণে এর কম সময় ঘুমালে এবং তা যদি নিয়মিত হয়, তবে তা শরীরের জন্য খারাপ। অনেক ই আমরা খুব বেশি ঘুমাতে ভালবাসি, কিন্তু বেশি ঘুম কি শরীরের জন্য ভালো? আমরা এই রকম আশে পাশে অনেক মানুষ আছে যারা মনে করে বেশি ঘুম মানে হলো শরীরের জন্য খুব ই ভাল। কিন্তু এই অতি বিশ্রামে লুকিয়ে আছে বিপদ। গবেষকরা তাই বলছেন।

এক দল গবেষকরা গবেষণা করে দেখছেন যারা ৯ ঘণ্টার ওপর প্রাত্যহিক ঘুমে অভ্যস্ত তাদের স্ট্রোকের সম্ভাবনা ২৫ শতাংশ বেশি থাকে। অনেক আছেন যারা দুপুরে একটু ভাতঘুম(দুপুরে খাওয়া দাওয়া পরে জে ঘুম) এই ঘুম দিলে অনেকে মনে করেন দেহে এনার্জি সঞ্চারিত হয়। কিন্তু তা আসলে ঠিক নয়। গবেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন দুপুরে ন্যাপ নিতে গিয়ে যারা দেড় ঘণ্টা ঘুম দেন তাদের হৃদরোগের সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়।

ঘুমের জন্য সঠিক সময় ঠিক কতক্ষণ? গবেষকরা বলছেন ৭ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রাত্যহিক ঘুম শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।

চিনের এক দল গবেষকরা জানাচ্ছেন অতিমাত্রা ঘুম মানুষের দেহে কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়। তাঁদের কোমর চওড়া হতে থাকে। যা হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

নয় ঘণ্টার ওপর প্রাত্যহিক ঘুম বা দুপুরের ন্যাপের সঙ্গে ঠিক কীভাবে স্ট্রোকের সম্ভাবনা জড়িয়ে আছে তা জানতে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। তাই সুস্ত থাকতে চাইলে আজি অতিরিক্ত ঘুম পরিহার করুন। কারন জীবন অতি মূল্যবান।

This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!

What do you think?

Written by Azaher Ali Rajib

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

জাকির নায়েকের স্কুল বিষয়ক কিছু কথা।

নতুন বছরে নিজেকে করে তুলুন নতুন।