in

নতুন বছরে নিজেকে করে তুলুন নতুন।

নিজেকে সুস্থ রাখতে কে না চায়,  এর মধ্যে সব থেকে গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় হচ্ছে  ওজন কমানো আর সঠিক ডায়েট । কিন্তু এর বাইরেও আরও অনেক কাজ আছে, যা সুস্থ থাকতে হলে মেনে চলতে হবে। প্রতিটি নতুন বছরের শুরুতেই আমরা অনেকরকম পরিকল্পনা করে থাকি বা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। কিন্তু ধীরে ধীরে সেসব ভুলে আবারও ভুল করে বসি। কিন্তু একটু হলেও যদি সেই উপায়গুলো আমরা মেনে চলি, তবে সারা বছর সুস্থ থাকা সম্ভব।

#1 ডায়েট

আপনাকে আগে জানতে হবে কোন খাদ্যগুলো আপনার জন্য ভালো আর কোনগুলো নয়, তা জেনে নিজেই ঠিক করুন কী খাবেন আর কী খাবেন না। সেগুলোকে আপনি আপনার ডায়েট চার্টে জায়গা দিন। তবে আপনি যদি ডায়েট ঠিক করতে না পারলে ভাল কোন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন । যদি আপনি ওজন কমাতে চান তবে, আপনার ডায়েট থেকে বাদ দিন কিছু উচ্চ ক্যালোরি এবং ফ্যাটযুক্ত খাবার। আবার যদি আপনি ওজন কমানোর ডায়েটে থাকতে না চান তবে আপনার স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত।

#2 পানি

আপনার সকাল শুরু হোক এক গ্লাস পানি পান করে, সকাল বেলা পানি পান করলে আপনার হজমশক্তি বাড়ায়। আবার, অতিরিক্ত পানি পান বিপদও আনতে পারে। তাই নতুন বছরে অবশ্যই শপথ নিন সুস্থ শরীরের জন্য সঠিক ও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার। শরীরের ওজন অনুযায়ী নির্ভর করে একজন মানুষের কত পরিমাণ পানি প্রয়োজন। তাই, পরামর্শ নিন কোনো বিশেষজ্ঞের।

#3 শরীরচর্চা

আপনি চেষ্টা করুন যদি সুস্থ থাকতে চান তবে প্রতিদিন সকালে আর সন্ধ্যায় আপনি যেকোনো ধরনের ব্যায়াম চেষ্টা করতে পারেন। যদি সময় না পান তবে, প্রতিদিন সকালে অন্তত পাঁচ মিনিট হাঁটাচলা করুন, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা এবং দৌড়াতে চেষ্টা করুন। এগুলো হলো সাধারণ অনুশীলন, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় সাথে সাডে আপনাকে করে তুলে ফিট ও স্বাস্থ্যকর।

#4 ধুমপান ও মদ্যপান কে বলুন বিদায়

এই নতুন বছরে শপথ হোক সুস্থ জীবন ও সুন্দর জীবন। তাই ছাড়তে হবে ধূমপান এবং মদ্যপান। একটানা কাজের মাঝে মাঝে বিশ্রাম নিন একটানা বসে থাকা বা একটানা কাজ করে যাওয়া ধূমপান এবং মদ্যপানের মতোই ক্ষতিকর। সুতরাং, কাজ করার মাঝে বিশ্রাম অত্যন্ত প্রয়োজন এবং টানা এক জায়গায় বসে না থেকে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পরপর উঠে দাঁড়ান বা হেঁটে আসুন।

#5 ঘুম

অনেক  রাত পর্যন্ত জেগে কাজ করা, বা কোন পার্টিতে থাকা, বা বিছানায় ঘুমানোর সময় অতিরিক্ত মোবাইল ঘাঁটা থেকে বিরত থাকুন। এর আগে লিখাতেও আমি বলেছি শরীরকে দিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম দিন। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের শরীরের অঙ্গগুলো কাজ করার শক্তি ফিরে পায়। অল্প ঘুম হলে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি, ওজন, স্ট্রেস, শরীরের ব্যথা, বদহজম এবং নিদ্রাহীনতার মতো ভয়াবহ রোগ।

#6 নিজের মনের কথাও শুনুন:

কখনো কি এইভাবে ভেবেছন কি? ভাবুন নিজের মনকে গুরুত্ব দিন, নিজের আবেগ, অনুভূতি ও ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে নিবিড়ভাবে চেনার চেষ্টা করুন। এই অনুভূতিকে চেনার মধ্য দিয়েই মানুষ তার নিজের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে পারে এবং দুর্বলতাগুলোকে কাটিয়ে উঠতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে নিজের মনের কথা শুনুন। আশা করি নিয়মগুলো আপনার নতুন বছর করে দেবে আরো নতুন। ভাল থাকুন সুস্ত থাকুন। 

This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!

What do you think?

Written by Azaher Ali Rajib

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

অতিরিক্ত ঘুম, বিপদকে বন্ধু হিসেবে বেছে নিচ্ছেন আপনি।

সৃষ্টিকর্তা থেকে গুরুকে বড় করলো এই শিল্পী!