in

এই ১০টি রোমান্টিক মুভি দেখলে, একবার হলেও কাঁদতে বাধ্য হবেন।

#1 দা নোটবুক

রোম্যান্টিক বই পরলে নিকলাস পারকের কথা সবার ই চেনা থাকবে। তার বেষ্ট সেলার বই থেকে একটি ছবি বানানো হয়েছিল। ছবিটির নাম দা নোটবুক। এটিও ইতিহাসের তালিকায় ও আমাদের ও তালিকায় এক নাম্বার। একটি কথা জানিয়ে রাখি ইতিহাসের মধ্যে অন্যতম বিকৃত এই উপন্যাস এই নোটবুক। ছিনেমাটি একি ভাবে জায়গা করে নিয়েছে। মুভির শুরু এক নার্সিংহোমে। এলি নামের এক বৃদ্ধ। এলেশিয়া নামক এক রোগে আক্রান্ত। 

কোন সৃতি তিনি মনে করতে পারে না। এমন কি নতুন কোন ঘটনা ও মনে পরতে পারছে না।এর পর এক বৃদ্ধ লোক আসে তাকে কিছু মনে করাতে। তাকে নিনি নোটবুক উপন্যাসটি পড়ে শোনান। আর তার বলা গল্পটাই ছবির মুল কাহিনী। কি সে কাহিনী? তা জানতে হলে অবশ্যই ছবিটি আপনাকে দেখতে হবে।    

#2 টাইটানিক

শৈশব হোক বা কৈশোরে হোক, যে উদ্দেশে হোক এই ছবিটি আমরা দেখে ফেলেছি। রোম্যান্টিক ছবির দুনিয়ে এই ছবিটি অন্যতম। ১৯৯৭ সালে ছবিটি মুক্তি মায়। নিজের প্রেমিকাকে বাঁচাতে যেয়ে জীবন হারায় জ্যাক। যারা ই ছবিটি দেখেছে তাদের চোখে জল এসেছে। এখনো অব্ধি প্রায় অনেক বলে জ্যাক কিন্তু কাঠের তকটাতে ভেসে বেঁছে থাকতে পারতো। কিন্তু হয় ছবির পরিচালক ত এটি চায় নি।

#3 এ মোমেন্ট টু রিমেম্বার

আমাদের জীবনে সব থেকে মধু সৃতি মনে হয় প্রেম, প্রেমের সৃতি কখনো ভুলা যায় না। দুজন দুজনার দারুন কিছু সময় কাটাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। দারুন সব সৃতি। এরি মধ্যে আপনার এমন একটি রোগ ধরা পড়লো যা আপনার থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সব সৃতি। আস্তে আস্তে সব কিছু ভুলে যাচ্ছে, বিষয়টা কেমন হতে পারে একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন। এমন অসম একটি ছবি আপনার এখনি দেখা উচিত। আর এই ছিনেমাটি দেখতে দেখতে হউ মাউ করে কেঁদে ফেল্লে আমি দাই নই।

#4 বিফোর সানরাইজ

ধরুন আপনি ইউরোপে ট্রেনে যাত্রা করলেন, হুট করে আপনার সাতে একটি মেয়ের দেখা হয়ে গেল। কিছুটা কথা, পরিচয়, গল্প। কিন্তু আপনারা দুজন ই জানানে যাত্রা গন্তব্য পৌঁছানোর পর আপনাদের আর দেখা হবে না। হুট করে আপনারা সিধান্ত নিলেন মাঝ পথে নেমে যাবেন। ঘুরবেন দুজনে এক সাথে। ভাবতে ই অন্যরকম লাগছে, ছবির শেষ এ কি হবে তা দেখতে আপনাকে অবশই ছবিটি  দেখতে হবে।

#5 দা ক্লাসিক

যারা খুব বেশি রোম্যান্টিক ছবি দেখেন না তাদের এই এই ছবির নাম না জানাটাই স্বাভাবিক। তবে নিত্যনতুন ছবি বানিয়ে কোরিয়ানরা এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। এটি একটি ত্রিভুজ প্রমের কাহিনি। প্রায় ছবিতে দেখা যায়, দুই নায়িকা এক নায়ক, অথাবা দুই নায়ক, এক নায়িকা। একজন হয় ভিলেন। কিন্তু এখানে তা পাবেন না। এখানে এক ছিনেমায় দুই অসাধারণ গল্পের সাদ্ধ  পাবেন।অনেকটা এক টিকেতে দুই ছবি দেখার মত। দেরি না করে এখনি এই ছবিটি দেখে ফেলতে পারেন।

#6 লালা ল্যান্ড

৬টি বিভাগে অস্কার সহ এক কুড়ি পুরুস্কার জিতে নিয়েছে এই ছবি। রায়ান গস্লি, আর এমারটনের অসাধারণ অভিনয়, অসাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এক কথায় বলে বোঝানো যাবে না। যদি আপনি ভেবে নিয়ে থাকেন অতি গৎবাঁধা কোন রোম্যান্টিক ছবি, তাহলে আপনার ধারনা ভুল। এই ছবিটি দেখতে দেখতে কখন আপনার সময় পেরিয়ে যাবে ত আপনি বুজতে ও পারবেন না।

#7 মুভি ৯৬

স্কুল এ কেনা প্রেমে পড়ছেন। তবে এক্ষণ আর আগের মত এই প্রেমটি নেই। তবে সেই নিষ্পাপ প্রেমের কথা কি আজো আপনি ভুলতে পেরেছেন। মাঝে মাঝে মনে পরে তার কথা। আপনার হয়ত এক্ষণ অনেক বয়েস হয়েছে, তবে এখনো আপনার মনের অজান্তেই দাগ কেটে যায় সেই ছোটবেলার প্রমের কথা ভেবে। তামিল ছবি বলতে যারা বোঝেন একশনধর্মী ছবি, তাদের বলছি আপনার ধারণা ই পাল্টে যাবে ৯৬ ছবিটি দেখে। এবং অনেকক্ষণ আপনাকে আপনাকে টিভির সামানে বসিয়ে রাখবে।

#8 টি ফল্ট ইন আওয়ার স্টার্স

যারা বই পড়েন, রোমান্টিক বই যাদের বেশি প্রিয়, তাদের কাছে জন গ্রীন নামটি খুব পরিচিত। তার উপন্যাস থেকে ই বানানো হয়েছিল, দা ফল্ট ইন আওয়ার স্টার্স।বাঙলা করলে দাড়ায় দুই তারার কলঙ্ক। এই দুই তারাকে নিয়ে মুলুত বানানো হয়েছে ছবিটি। আর তাদের কলঙ্ক হচ্ছে তাদের ক্যান্সার। কোন মানুষ যদি জানতে পারে তার মৃত্যু আর কয়েকটা দিন পর, তাহলে তাদের জীবনবোধও পাল্টে যায়।

আমাদের ধরাবাধা নিয়ম কানুন মেনে প্রেম হয় না। আমরা যারা প্রেমে পরে বুড় অবধি ভাবতে পারে, কিন্তু তারা আসলে সেভাবে ভাবতে পারে না। তবুও তারা প্রেম পরেই যায়। পাল্টে যায় জীবনের মানে। আপনি এই ছবিটি দেখলে তার মানে বুজলে আপনিও পাল্টে ফেলবেন আপনার ধরনা।

#9 মনপুরা

একটা বিচ্ছিন চড়ে ঘটনাচক্রে বসবাস করা শুরু করে। সেখানে প্রেম ত দূরে থাক,ছাগল, পাখী ছাড়া আর কোন মানুষের দেখা নেই। কিন্তু নদীর স্রতে নৌকার বৈঠার তালে তালে তার জীবনে প্রেম ধরা দেয়। তার তারপর ই হিসেব হয়ে যায় উলটাপালটা। চিরাচরিত  প্রেম, বিচ্ছেদ, মিলন আর গ্রামের এক বাস্তব চিত্র তুলে আনা হয়েছে এই ছবিতে। এক নিটোল প্রেমের গল্প এত সুন্দর ও স্বাভাবিক ভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যেটি দেখলে আপনার মন একবার হলেও নাড়া দেবে।

#10 ভির-যারা

ভারতের ইতিহাসে এটি একটি রোমান্টিক ছবি নিঃসন্দেহে বলা যায়। এই ছবিটি অনেকেই দেখেছেন বলা যায়, যারা দেখেন নি তারা নিশ্চয়ই এই ছবির গান অন্তত গুন গুন করে গেয়েছেন।

This post was created with our nice and easy submission form. Create your post!

What do you think?

Written by Azaher Ali Rajib

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

পারমানবিক শক্তিতে শক্তিশালী ১০টি দেশ

এই ১টি রহস্যে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্র এখন ‘কাতার।